এপ্রিল ৫, ২০১৯,সিকন ডিজিটাল বাংলা : কোচবিহারে তীব্র উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে সভাস্থল নিয়ে। রাসমেলার মঠে আগামী রবিবারের সভার জন্য বিজেপিকে অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে সেই মাঠেই সোমবার আসবেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই সমাবেশের জন্য দুই দলের মঞ্চ তৈরি হচ্ছে। এ পর্যন্ত কোনও গোলমাল ছিল না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার জন্য রাসমেলার মাঠে ইতিমধ্যেই দলের পতাকা লাগাতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেটা বন্ধ করতে না পারলে সোমবার যখন মোদী বক্তব্য রাখবেন তখন সেই মাঠ সাজানো থাকবে ঘাসফুলের পতাকা, ব্যানারে। আর এতেই আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি।
এদিন, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে হুঁশিয়ারিও দেন বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন, “মমতা প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মানছে না। তৃণমূল কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল আটকে রেখেছে। রাজনৈতিক দলের ফান্ডামেন্টাল রাইট নষ্ট করছে তৃণমূল। জেলাশাসককে বারবার বলেও কোনও কাজ হচ্ছে না।”
প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতি দেখতে শুক্রবার সভাস্থল পরিদর্শনে যায় এসপিজি। আর তার মধ্যেই মাঠে তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা। এগিন এসপিজি কর্তাদের সঙ্গে সভাস্থল নিয়ে বৈঠকেও বসে জেলা প্রশাসন। গোটা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। সকাল থেকেই জেলার পুলিশ কর্তারা সভাস্থল পরিদর্শনে যান। অপ্রীতিকর কিছু না ঘটলেও দুই দলের টানোপোড়েনে গোটা শহরেই তৈরি হয়েছে উত্তেজনা।
এদিন, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে হুঁশিয়ারিও দেন বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন, “মমতা প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মানছে না। তৃণমূল কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল আটকে রেখেছে। রাজনৈতিক দলের ফান্ডামেন্টাল রাইট নষ্ট করছে তৃণমূল। জেলাশাসককে বারবার বলেও কোনও কাজ হচ্ছে না।”
প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতি দেখতে শুক্রবার সভাস্থল পরিদর্শনে যায় এসপিজি। আর তার মধ্যেই মাঠে তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা। এগিন এসপিজি কর্তাদের সঙ্গে সভাস্থল নিয়ে বৈঠকেও বসে জেলা প্রশাসন। গোটা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। সকাল থেকেই জেলার পুলিশ কর্তারা সভাস্থল পরিদর্শনে যান। অপ্রীতিকর কিছু না ঘটলেও দুই দলের টানোপোড়েনে গোটা শহরেই তৈরি হয়েছে উত্তেজনা।


No comments:
Post a Comment