ওয়েবডেস্ক, দিল্লি, ৭ মার্চ : ১০ বছর আগে ২০০৯ সালের মার্চে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) ১০ টাকার কয়েন চালু করে। এখনও পর্যন্ত ১৩ বার এই কয়েনটির আকার বদলানো হয়েছে। এর জেরে অনেক বিভ্রান্তিও তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অনেকসময় ১০ টাকার কয়েনকে জাল বলে দাবি করে কয়েকজন ব্যবসায়ী তা নিতে চায় না। যদিও গতবছর RBI জানিয়েছে, এই চোদ্দো ধরনের কয়েনই বৈধ। এই বিষয়ে RBI জানিয়েছে, নোটের থেকে কয়েন বেশি টেকসই। এগুলি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে।
বাজারে এবার কুড়ি টাকার কয়েন আনা হবে। গতকাল অর্থমন্ত্রকের তরফে একথা ঘোষণা করা হয়। ১২ বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের মতো দেখতে হবে এই কুড়ি টাকার কয়েন। এই বিষয়ে একটি নোটিফিকেশনও জারি করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।২৭ মিলিমিটার ব্যাসের ১০ টাকার কয়েনের মতো দেখতে হলেও নতুন এই কয়েনের প্রান্তভাগে কোনও চিহ্ন থাকবে না। বাইরের দিকের রিংটিতে থাকবে ৬৫ শতাংশ তামা, ১৫ শতাংশ দস্তা এবং ২০ শতাংশ নিকেল। ভিতরের দিকের অংশে থাকবে ৭৫ শতাংশ তামা, ২০ শতাংশ দস্তা এবং ৫ শতাংশ নিকেল।
বাজারে এবার কুড়ি টাকার কয়েন আনা হবে। গতকাল অর্থমন্ত্রকের তরফে একথা ঘোষণা করা হয়। ১২ বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের মতো দেখতে হবে এই কুড়ি টাকার কয়েন। এই বিষয়ে একটি নোটিফিকেশনও জারি করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।২৭ মিলিমিটার ব্যাসের ১০ টাকার কয়েনের মতো দেখতে হলেও নতুন এই কয়েনের প্রান্তভাগে কোনও চিহ্ন থাকবে না। বাইরের দিকের রিংটিতে থাকবে ৬৫ শতাংশ তামা, ১৫ শতাংশ দস্তা এবং ২০ শতাংশ নিকেল। ভিতরের দিকের অংশে থাকবে ৭৫ শতাংশ তামা, ২০ শতাংশ দস্তা এবং ৫ শতাংশ নিকেল।


No comments:
Post a Comment